অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ই শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

আড়াইহাজারে লড়াই হবে পিতা,পুত্র আর শ্বশুরের

Print

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার পৌরসভা সাধারন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে পিতা-পুত্র ও শ্বশুরের নির্বাচনী লড়াই জমে উঠেছে। নির্বাচনী মাঠে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আড়াইহাজার পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩জন প্রার্থী নির্বাচনী প্রতিযোগিতার লড়াইয়ে নেমেছে। তাদের মধ্যে আড়াইহাজার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মুক্তিযোদ্ধা মোঃ লাল মিয়া,তার বড় ছেলে মোঃ নবী হোসেন ও নবী হোসেনের উকিল শ্বশুর বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ বশির উল্লাহ একই পদে নির্বাচনে মাঠে লড়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে এ নির্বাচনী এলাকায় সাধারন ভোটারদের মধ্যে আলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। পাড়া,মহল্লায়,বাজার বন্দরে ও চায়ের দোকান গুলোতে সরব আলোচনা হচ্ছে এ তিন ব্যক্তি সম্বন্ধে। এ নির্বাচনের ব্যাপারে কাউন্সিলর প্রার্থী লাল মিয়া জানান,বিগত দিনগুলোতে এলাকার মানুষের পাশে থেকে সেবা করার কারনে জনগণ তার পক্ষে ব্যাপক সাড়া দিচ্ছে। নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হবে বলে তার বিশ্বাস।

অপরদিকে বর্তমান কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-১ মোঃ বশির উল্লাহ জানান, বিগত পৌরসভা নির্বাচনেও তার বিয়াই লাল মিয়ার সাথে প্রতিদ্বনদ্বিতা করে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন। বিগত দিনগুলোতে এলাকার মানুষের পাশে থেকে সেবা করেছি। সাধারন ভোটারদের দাবীতে আবারো তিনি কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। তার বিশ্বাস ভোটাররা এবারও তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন। এদিকে পিতা ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়াইয়ে নেমেছেন নবী হোসেন।
নবী হোসেন জানান, সে তার পিতা লাল মিয়া ও শ্বশুর বশির উল্লাহ কে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করেন একক প্রার্থী করার জন্য। সেই লক্ষে পারিবারিক ভাবে কয়েকবার বসার পরও যখন পিতা ও শ্বশুরকে সমঝোতায় নিয়ে আসতে না পেরে অভিমান বসত সে তাদের সাথে প্রতিদ্বনদ্বিতায় নামে। তবে নবী হোসেন বলেন, শ্বশুর বশিরউল্লাহকে অনুরোধ করেছিলাম তার পিতা লাল মিয়াকে অন্যথায় তাকে সমর্থন করে এবার শ্বশুর যেন নির্বাচন থেকে সরে দাড়ান। তিনি বলেন, দলীয় ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশনা পেলে সে নির্বাচন করবেন, না পেলে নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়াবেন।
তবে তাদের পিতা-পুত্র ও শ্বশুরের নির্বাচনী লড়াইকে  এলাকার মানুষ দেখার অপেক্ষায় আছে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.