অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৬ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১লা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

Print

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চাই। এ জন্য পুলিশসহ সব শেণিপেশার মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সোমবার রাজারবাগে পুলিশ সপ্তাহ ২০১৮-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিরাট ভূমিকা রেখেছে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদও জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে জঙ্গি, সন্ত্রাসী ও যুদ্ধাপরাধীদের কোনো স্থান নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা যেকোনো দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত। আমরা মনে করি, কোনো দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। সে জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। একজন সন্ত্রাসীর কোনো ধর্ম-বর্ণ ও গোত্র নাই। সন্ত্রাসী সন্ত্রাসীই। আমরা ধর্মের নামে যেকোনো সহিংস কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাই। ইসলাম শান্তির ধর্ম। সেখানে মানুষ হত্যা করে বেহেশতে যাওয়া যাবে- এ ধরনের বিভ্রান্তি যারা পোষণ করে, তারা কখনোই বেহেশতে যাবে না। কাজেই ইসলাম যে শান্তির ধর্ম, সেই শান্তি বজায় রাখা সবারই কর্তব্য। অযথা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের পবিত্র ধর্মকে অনেকেই কলুষিত করছেন।

জঙ্গি দমনের ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ দেশের মাটিতে কোনো জঙ্গি-সন্ত্রাস বা যুদ্ধাপরাধীদের স্থান হবে না। আমরা চাই, বাংলাদেশের মাটি জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ মুক্ত হবে, বাংলাদেশ শান্তির দেশ হবে। তাই সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল করে আমরা দেশের প্রতিটি মানুষের শান্তি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। সে কারণেই আমরা এ দেশের সর্বস্তরের মানুষ, আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা একেবারে গ্রাম বা তৃণমূল পর্যায় থেকে সব গোষ্ঠী, সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে জনপ্রতিরোধ গড়ে তুলে এই সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদকে বাংলার মাটি থেকে নির্মূল করতে চাই।’
‘জঙ্গি-মাদকের প্রতিকার, বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গীকার’- এ স্লোগানে এবার ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০১৮’ পালিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত ১১টি কন্টিনজেন্ট এবং পতাকাবাহী দলের নয়নাভিরাম প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।
পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক পৃথক বাণী দিয়েছেন।




মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.