অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মহররম, ১৪৪০ হিজরী

রাজধানীতে সবজির দাম বৃদ্ধি : দাম কম গ্রামে

Print

নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃষ্টির অজুহাতে রাজধানীর বাজারগুলোতে বিভিন্ন সজজির দাম বেড়ে গেছে। তবে গ্রামের বাজারগুলোতে দাম কমেছে বলে জানালেন চাষীরা।
বৃষ্টির অজুহাতে রাজধানীর সকল বাজারেই সবজির দাম চড়া। হঠাৎ দাম বাড়ায় হতাশ ক্রেতারা। ক্রেতাদের অভিযোগ, নিয়ন্ত্রন না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছা করেই সবজি চড়া দামে বিক্রি করছে। গত সপ্তাহে ৬০/৭০ টাকা কেজি দড়ে বিক্রি হওয়া টমেটো এখন ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙা, ধুন্দল, ঢ়েড়স, বেগুন, পটল, চিচিঙ্গা, কাকরোল, মিষ্টি কুমড়া, পেপে, করলাসহ বিভিন্ন সবজিতে বাজার ভরপুর । তারপরও কেজিপ্রতি দাম গত সপ্তাহ থেকে ১০/৩০ টাকা বৃদ্ধি। সবজি বিক্রেতারা জানান,বৃষ্টির কারনে গ্রামে দাম বেশি তাই রাজধানীর বাজারে মূল্য বেড়েছে।
রবিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ানবাজার, হাতিরপুল, মোহাম্মদপুর ও শান্তিনগর, খিলগাঁও বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে একই উত্তর মিলেছে ব্যবসায়ীদেও কাছ থেকে। ব্যবসায়ীরা জানান,বৃষ্টি থেমে গেলে দাম কমে যাবে।
তবে পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে । দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকা কেজি। আর আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৩০-৩৫ টাকায়।
ঝিনাইদহের জাঙ্গালিয়া গ্রামের সবজি চাষী লফিত মোল্যা জানান,বৃষ্টির কারনে সব সবজির দামই কমে গেছে। ফলে লোকসান পোহাতে হচ্ছে আমাদের। গাইবান্ধার সাঘাটা থানার দক্ষিণ যোগীপাড়া গ্রামের সবজি চাষী আরিফুল ইসলাম জানান,বৃষ্টিতে ভিজে সবজি সংগ্রহ করছি। কিন্তু দাম কম। ফলে লোকসান পোহাতে হচ্ছে।
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর এলাকার কাঁচামাল ব্যবসায়ী আলম হোসেন। সে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে পাইকারী দড়ে সবজি বিক্রি করতে আসে। আলম জানায়,তুলনামূলক কম দামে কলা কিনেছি। কারওয়ানবাজার এর কয়েকজন আড়তদারকে ফোন করলাম মালেল দাম কেমন। তারা জানালো দাম নেই । ফলে মাল নিয়ে ঢাকায় যেতে সাহস পাচ্ছি না।
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাছিদুর রহমান জানান,বৃষ্টিতে স্থানীয় বাজারে সবজির দাম বাড়েনি ,বরং কমেছে। চিচিঙ্গা, কাকরোল, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙা, ধুন্দল, ঢ়েড়স, বেগুন, পটল, পেপে, করলা,কাাঁচকলাসহ সব সবজির দামই কেজি প্রতি ৩/৫ টাকা করে কমেছে। তিনি জানান,কালুখালীর কাঁচাকলা ,আমড়া,ডাব,বেগুন রাজধানীর বিভিন্ন বাজাওে রপ্তানী হয়। এছাড়া চিচিঙ্গা, কাকরোল, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙা, ধুন্দল, ঢ়েড়স, পেপে , করলা ও কাঁচামরিচ কুষ্টিয়া ও পাবনা যায়।




মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.