অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

হাথুরুকে জবাব দিলো বাংলাদেশ

Print

স্পোর্টস প্রতিবেদক : শ্রীলঙ্কার ১১ খেলোয়াড়ের বিপক্ষে খেলেনি বাংলাদেশ। মাঠে সদ্য বিদায়ী কোচ হাথুরুর সঙ্গে বাংলাদেশের দর্শকের ছিলো নীরব প্রতিযোগিতাও। তাই মাঠে ছিলো বাড়তি উত্তেজনা। ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে গ্যালারির শূন্যতা দূর হলো আজ। একে তো বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা লড়াই, তার ওপরে ছুটির দিন। তাই গ্যালারিতে উপচে পড়া ভিড়।
খেলা শুরু হয়েছে দুপুর ১২টায়। তবে ঘণ্টাখানেক আগে অনেকেই চলে আসেন স্টেডিয়ামের গেটের সামনে। খেলা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে। ২৫ হাজার ধারণক্ষমতার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন ২২-২৩ হাজার দর্শক।
ভিড় বলে টিকিটের চাহিদাও ছিল বেশি, ছিল কালোবাজারিদের দৌরাত্ম্য। অনেক দর্শকের অভিযোগÑ কালোবাজার থেকে টিকিট কিনতে হয়েছে তাদের। শাহনেওয়াজ নামের এক ক্রিকেটভক্ত বলেন, আমরা তিন বন্ধু সকাল থেকে অনেক খুঁজেও টিকিট পাইনি। পরে গেটের সামনে থেকে ৩০০ টাকার টিকিট ৫০০ টাকা দিয়ে কিনেছি। তারপরও ভালো লাগছে, বাংলাদেশ খুব ভালো খেলছে তাই জিতেছে।
সিটি কলেজে পড়া চার বন্ধু বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ নিয়ে উত্তেজিত। তারা মনে করেন, শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েই হাথুরুসিংহকে জবাব দিয়েছে টাইগারা। একজন বললেন, ‘আমাদের জন্য ম্যাচটি জেতা গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। আমরা অনেক রান করেছি। আমার বিশ্বাস ছিলো, বাংলাদেশ বড় ব্যবধানেই জিতবে। অনেক আগেই আজকের ম্যাচ দেখার পরিকল্পনা করেছিলাম আমরা। তাই আগেই টিকিট কিনেছি। হাথুরুসিংহের দলের বিপক্ষে জয়ের সাক্ষী হতে কে না চাইবে!’
মাশরাফির দলকে সমর্থন জানাতে বেশকিছু সাপোর্টার্স গ্রæপ মাঠে উপস্থিত হয়েছে। গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে বাঘের সাজে কয়েক জন তরুণ-তরুণী টাইগারদের জন্য গলা ফাটাচ্ছেন ম্যাচের শুরু থেকেই। এসেছেÑ ‘দৌড়া বাঘ আইলো’ নামে ক্রিকেট সমর্থকদের একটি গ্রæপ। তারা জানালেন, বাংলাদেশের প্রতিটি ম্যাচেই থাকেন গ্যালারিতে। বাংলাদেশ দলকে অবিরাম সমর্থন জোগাতে তাদের জুড়ি মেলা ভার!
আজও যথারীতি গ্যালারিতে আছেন ‘টাইগার শোয়েব’ নামে পরিচিত শোয়েব আলী। লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়ে মাশরাফিদের উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। শোয়েব বললেন, ক্রিকেট আমার নেশা, আমার ভালোবাসা। বাংলাদেশের প্রত্যেক ম্যাচেই আমি মাঠে থাকি, আজও আছি। আজীবন ক্রিকেট নিয়েই আমি থাকবো।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.