অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী

‘অবকাঠামো নির্মাণই বিচার বিভাগের একমাত্র দায়িত্ব নয়’

Print

স্টাফ রিপোর্টার : আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিচার বিভাগের উন্নয়নের পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সুদৃঢ় হলে রাষ্ট্রের চার মূলনীতি সুপ্রতিষ্ঠিত হবে, রাষ্ট্রের প্রধান তিনটি অঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে, গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা হবে। এসময় অবকাঠামো নির্মাণ করাই বিচার বিভাগের দায়িত্বের শেষ না হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যতক্ষণ না ন্যায়বিচার জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়া যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আসল সম্মান পাবো না। তাই জনগণের আস্থা অর্জনে বিচার বিভাগের সবাইকে একত্র হয়ে একনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে পটুয়াখালীতে ২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চার তলা বিশিষ্ট চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

আনিসুল হক বলেন, রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা-যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হবে। একইসাথে এই সাংবিধানিক অঙ্গীকারের আলোকে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। কেননা আইনের শাসন নিশ্চিত করার মধ্যেই সভ্যতার ক্রমবিকাশ নিহিত আছে।

তিনি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সাথে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সাথে বিচার বিভাগের মানোন্নয়ন জড়িত। সেজন্য মানসম্পন্ন বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

২০০৭ সালের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথক হবার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সেসময় আদালতগুলোতে এজলাসের অপ্রতুলতা দেখা দিয়েছিল। ফলে তখন বিচারকগণ এজলাস ভাগাভাগি করে বিচারিক কাজ চালানো শুরু করেছিলেন। কিন্তু তাতে করে বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী জনগণ যেমন ভোগান্তির শিকার হতে থাকেন, তেমনি মামলার জট দিনের পর দিন বাড়তে থাকে।মন্ত্রী বলেন, আজ এই চার তলা ভবন উদ্বোধনের ফলে বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী জনগণের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে। তিনি জানান, এটাকে আট তলা করা হবে এবং আগামী বছরই অবশিষ্ট ৪ তলার নির্মাণ কাজ শুরু হবে। তখন দুর্ভোগ পুরোপুরি কেটে যাবে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: