অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৯ই জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী

অভিষেকে বাজিমাত

Print

স্পোর্টস ডেস্ক: সর্বশেষ এসএ গেমসের পদকবিতরণী মঞ্চে বাংলাদেশের ভারোত্তোলন তারকা মাবিয়া আক্তার সীমান্তর কান্নার দৃশ্য মর্ম ছুঁয়ে যায় বিশ্বজুড়ে ক্রীড়াপ্রেমীদের। তেমন দৃশ্য দেখা গেল এবার রিও অলিম্পিকসের মঞ্চে (পডিয়াম)। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) সদস্যপদ পেয়েছে দেশটি মাত্রই দুই বছর আগে। ইউরোপের মুসলিম অধ্যুষিত দেশ কসোভোর এটা অভিষেক অলিম্পিকস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মার্চপাস্টে কসোভোর পতাকা বহনের গৌরবটা মাইলিন্দা কেলমেন্দির। আর নিজ নৈপুণ্যে কসোভোর এ জুডোকা এবার অলিম্পিকসের বিজয় মঞ্চে পতপত করে উড়ালেন কসোভোর জাতীয় পতাকা। রিও অলিম্পিকে মেয়েদের জুডোর ৫২ কেজি ওজন শ্রেণির লড়াইয়ে শিরোপার গৌরব কুড়ালেন কসোভোর মাইলিন্দা কেলমেন্দি। আর স্বর্ণপদক গলায় পডিয়ামে কেঁদে উঠলেন কসোভোর এ চ্যাম্পিয়ন জুডোকা। শিরোপার লড়াইয়ে তিনি জয় কুড়ান ইতালিয়ান জুডোকা ওদেত্তে জিউফ্রিদার বিপক্ষে। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জুডোকা ২৫ বছরের কেলমেন্দির এটি দ্বিতীয় অলিম্পিক গেমস। ২০১২ লÐন অলিম্পিকসে আলবেনিয়ার হয়ে অংশ নেন কেলমেন্দি। তবে সেবার পদকবিমুখ থাকেন তিনি। ২০১৪ সালে আইওসি’র সদস্য পদ লাভ করে কসোভো। আর এবারের অলিম্পিক গেমসে তিনি খেলতে নামেন মাতৃভ‚মির পতাকাতলে। রিওতে শিরোপা জয় শেষে কেলমেন্দি বলেন, আমি খুবই খুশি। সত্যি বলছি, শিরোপার জন্যই এখানে এসেছি আমি। তবে এ অনুভ‚তিটা অন্যরকম। নিজের জন্য, আমার কোচের জন্য, আমার দেশের জন্য আমি আনন্দিত। কসোভোর এটি প্রথম অলিম্পিকস। আর অভিষেকে স্বর্ণটা অনেক বড় প্রাপ্তি। যুদ্ধ ভারাক্রান্ত আমার দেশের মানুষের কাছে এটা অনেক তাৎপর্যের। আমার দেশের শিশুরা আমাকে দেখে আত্মবিশ্বাসী হবে। তারা জানবে, চাইলে স্বর্ণপদক জিততে পারি আমরা। যদিও আমরা ছোট একটা দেশ। গরিব একটা দেশ।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: