অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী

আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেন মোস্তাফিজ

Print

স্পোর্টস রিপোর্টার: ইংল্যান্ডে সাসেক্সের হয়ে কাউন্টি খেলতে গিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। মাঠে নেমেই বাজিমাত। টি-টোয়েন্টি বøাস্টে ২৩ রান দিয়ে নিলেন ৪ উইকেট, প্রথম ম্যাচে হলেন ম্যাচসেরা। কিন্তু পরের ম্যাচেই উইকেট শূন্য। উল্টো চোট পেয়ে শেষ হলো কাউন্টি মিশন। এর আগে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ইংল্যান্ডে খেলতে গিয়ে পড়েছিলেন ইনজুরিতে। সেবার অবশ্য অস্ত্রোপচার হয়নি। এবার শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের মতামতে কাঁধে অস্ত্রোপচার করাতে হলো সেখানেই। শুধু কাউন্টি নয়, মাঠ থেকে ছিটকে পড়লেন অন্তত ছয় মাসের জন্য। ১১ই আগস্ট তার কাঁধে অস্ত্রোপচার করেন ইংল্যান্ডের বুপা ক্রোমওয়েল হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অ্যান্ড্রু ওয়ালস। গতকাল মোস্তাফিজ দেশে ফিরেন খেলতে না পারার অক্ষেপ নিয়ে। ঢাকার বিমানবন্দরে নেমেই বলেন, ‘সাসেক্সে খেলার জন্য ইংল্যান্ড গেলেও দু’টি ম্যাচের বেশি খেলতে পারিনি। আর দেশের হয়ে আগামী সিরিজগুলোতেও বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে। আর খেলতে না পারলে খারাপ তো লাগছেই।’
গতকাল দেশে ফিরে নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বলেন, ‘আমি এখন আল্লাহ্র রহমতে ভালো আছি। আস্তে আস্তে কাজ করতে করতে আরও ভালো হবো। সবার দোয়া আছে, দেশবাসীর দোয়া আছে।’ জাতীয় দলের ফিজিও বায়জিদুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, সাধারণত এই ধরনের অপারেশনের পর থেকে পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়ে যায়। তবে তার সম্পর্কে অস্ত্রোপচারের সময় সঙ্গে থাকা বিসিবি’র চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরীই বিস্তারিত বলতে পারবেন বলে জানান তিনি। ফিজিও বলেন, ‘এখনও দেবাশিষ চৌধুরীর সঙ্গে আমার কথা হয়নি। কাল একটি মিটিং আছে তার সঙ্গে তখনই বলতে পারবো কী ধরনের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। যতটা জানি অপারেশনের পর থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে ধীরে ধীরে কাজের গতি বাড়ে।’
একই মন্তব্য করেছেন মোস্তাফিজুর রহমানও। তিনি বলেন, ‘এখন ছন্দ ফিরে পেতে কী করতে হবে তা আমাকে অপারেশনের পরই দেখানো হয়েছে। বাকিটা বলতে পারবেন আমাদের চিকিৎসক দেবাশিষ দাদা। তবে শুনেছি চার সপ্তাহ পর থেকে কাজের গতি বাড়বে।’
ইংল্যান্ডে খেলতে গিয়ে খেলা না হলেও ভালো সময় কাটিয়েছেন বাংলাদেশের এই তরুণ পেসার। তবে সারা জীবন সুঁই ফোঁটানো (ইনজেকশন) ভয় পেলেও তাকে অবশ্য তা নিতেই হয়েছে। ইংল্যান্ডে তার সঙ্গে থাকা বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, ইনজেকশন ভয় পেলেও তিনি অপারেশনকে ভয় পাননি এক বিন্দুও। মোস্তাফিজ বলেন, ‘আসলে আমি সুঁই ফোঁটাকে ভয় পেয়েছি, কারণ কখনো সুঁই ফোঁটাতে হয়নি। কিন্তু অস্ত্রোপচার একদমই ভয় পাইনি।’




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: