অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৯ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী

আদালত রায় দিয়েছেন, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের যুক্তি বুঝি না: প্রধানমন্ত্রী

Print

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আদালত রায় দিয়েছেন। এখানে আমাদের তো করার কিছু নেই। আর আমরা যদি করতামই তা হলে ১০ বছর তো মামলা চলতে দিতাম না। ২০০৮-এ যখন ক্ষমতায় এলাম, তখনই তো করতে পারতাম। আমাদের বিচার বিভাগ স্বাধীন। এখানে আমাকে গালি দেয়া বা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার কী যুক্তি থাকতে পারে আমরা তো সেটি বুঝি না। মঙ্গলবার রোমের প্রিনচিপি গ্র্যান্ড হোটেলে ইতালি আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তার স্বামী বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিয়াউর রহমান, দুই ছেলে তারেক রহমান এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে যে মামলায় খালেদা জিয়ার শাস্তি হয়েছে, সে মামলা কে দিয়েছে? খালেদা জিয়ার প্রিয় ব্যক্তিত্ব। সেনাবাহিনীর ৯ জেনারেলকে ডিঙিয়ে মইন উদ্দিনকে তিনি সেনাপ্রধান করেছিলেন। আর বিশ্বব্যাংকে চাকরি করতেন ফখরুদ্দীন, তাকে নিয়ে এসে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর করেছিলেন। তাদের দলীয় লোক ইয়াজউদ্দীনকে বানালেন রাষ্ট্রপতি। ফখরুদ্দীন, মইন উদ্দিন আর ইয়াজউদ্দীন- তারাই তো তার বিরুদ্ধে মামলা দিলেন। এ মামলা তো আওয়ামী লীগ দেয়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির লোকেরা বলে- হ্যাঁ মাত্র এতটুকু টাকার জন্য এই শাস্তি দেয়ার কি দরকার ছিল? এতটুকু মানে দুই কোটি টাকার জন্য এই শাস্তি কেন দেয়া হলো? তিনি বলেন, যদি খালেদা জিয়া বলতেন আমার দুই ছেলে এতিম, তাদের জন্য রেখেছি। তা-ও একটা যুক্তি ছিল। সেটিও উনি করেননি। নিজের কাছে কুক্ষিগত করতে গিয়ে ধরা খেয়েছে। আমার প্রশ্ন- আজকে যারা বিএনপি দরদি, আঁতেলরাও আছেন, তারা বলেন- দুই কোটি টাকার জন্য কেন এত মামলা। তা হলে আমার এখানে একটি প্রশ্ন আছে- দুর্নীতি করার জন্য কি একটি সিলিং থাকবে যে, এত কোটি পর্যন্ত দুর্নীতি করা জায়েজ। তারা কি সেটি বলতে চায়? বিএনপি তা হলে একটি দাবি করুক যে, এত কোটি পর্যন্ত তারা দুর্নীতি করতে পারবেন। সেটি নিয়ে একটি রিট করুক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এটুকু বলতে চাই- দুর্নীতি যারা করবে, সন্ত্রাস যারা করবে, জঙ্গিবাদের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিচার হতেই হবে। কারণ বাংলাদেশটাকে একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আমরা আনতে চাই। বাংলাদেশের উন্নয়ন আমরা চাই। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নত হোক সেটিই আমরা চাই। সেটি সম্ভব যখন দেশে দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, স্বজনপ্রীতি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: