অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী

আলু কেন ৬০ টাকা?

Print

অনলাইন ডেস্ক : ২০ টাকা কেজি আলু কেন ৬০ টাকা? এ প্রশ্নের উত্তরে বিভিন্ন কারণকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ী, হিমাগার মালিক এবং মধ্যসত্বভোগীরা। তবে নির্দিষ্ট করে চারটি কারণের কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। ওদিকে ক্রেতাদের দাবি, আলুর বাজারে সিন্ডিকেট হয়েছে।

রাজধানীর পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে বাজারে প্রতিকেজি খুচরায় বিক্রমপুর আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা কেজিদরে আর রংপুর ও রাজশাহীর আলুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা কেজিদরে। ভর্তার আলুর (এক প্রকার ছোট ছোট আলু) এক কেজির দাম চাওয়া হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। আর কারওয়ানবাজার পাইকারী বাজারে (আড়তে) প্রতিকেজি বিক্রমপুর আলু (পাইকারী) বিক্রি হচ্ছে ৪৩ টাকা আর রংপুর ও রাজশাহীর আলুর বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৬ টাকা কেজিদরে।

পাইকারদের দাবি, করোনা মহামারির কারণে ত্রাণ বিতরণের সময় আলুর ব্যবহার অনেক বেশি হওয়ায় আলুর মজুদ শেষ হয়ে এসেছে। এছাড়াও বন্যা, আলুর উৎপাদন কম হওয়া আলুর দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে দাবি করছেন তারা।

ওদিকে খুচরা ব্যবসায়ীদের অজুহাত, আলু পাইকার বাজার থেকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিতে চার ধাপে টাকা খরচ হয়। এর মধ্যে রয়েছে কুলির খরচ, বোর্ডভাড়া (আলু কেনার পর বাজারে যেখানে স্তুপ করা হয়) ও চাঁদা, পরিবহন ভাড়া ও দোকান ভাড়া। এই চার কারণে প্রতিকেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা খরচ পড়ে বলেও জানান তারা।

এছাড়াও বন্যার কারণে অন্যান্য ফসলের মত আলুও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, করোনায় আলুকে ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার করা, ফলন কম হওয়া এবং রোহিঙ্গাদের মাঝে আলু বিতরণের ব্যাপারটি আলুর সংকট তৈরি হওয়ার প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে আলু খুব বেশি নেই, আলুর যোগান কমে আসায় দাম বাড়ছে। বাজারে তবে বাজারে নতুন আলু উঠলে দাম কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে জন্য আরো ৪/৫ মাস অপেক্ষা করতে হতে পারে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: