অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী

ইতিহাস গড়ল আলু!

Print

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের ইতিহাসে এই প্রথম আলুর বাজারে সবচেয়ে অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। খুচরা বাজারে আলুর কেজি ৫০-৬০ টাকা, যা গত বছরের অক্টোবরের তুলনায় ১৩৩ শতাংশ বেশি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে উৎপাদন হওয়া আলুর দাম স্বাধীনতার আগে তো নয়ই বরং স্বাধীনতার পরও এতটা বৃদ্ধি পায়নি। এছাড়াও ব্যবসায়ীদের দাবি, গত মৌসুমে আলুর ফলন কম হয়েছে। ফলে দেশের হিমাগারগুলোতেও আলু কম মজুদ করা হয়েছে। এখন মৌসুম নেই, হিমাগারের আলু বিক্রি হচ্ছে। তাই আলুর দাম নিয়ন্ত্রণ করছেন হিমাগার মালিকরা।

ওদিকে হিমাগার মালিকদের দাবি, তাদের কাছে সংরক্ষিত আলুর মালিক কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা। তারা শুধু ভাড়ার বিনিময়ে আলু সংরক্ষণ করেন। এবার আলু উৎপাদনও কম হয়েছে, ফলে মৌসুম শেষ হওয়ায় দামও বাড়িয়েছেন তারা। এ ছাড়া মধ্যস্বত্বভোগীরাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দাম বাড়াচ্ছে বলে হিমাগার মালিকদের দাবি।

হিমাগারের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুসারে, গতকাল রবিবার হিমাগার থেকে আলু বিক্রি হয়েছে ৪৩ থেকে ৪৪ টাকা কেজি দরে। আড়ত পর্যায়ে বিক্রি হয়েছে ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা কেজি।

হিমাগার মালিকদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক জানান, আলুর দাম এর আগে কখনই এমন হয়নি। চলতি বছরের মার্চে শেষ হওয়া মৌসুমে আলুর উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ কম হয়েছে। ফলে অনেক ব্যবসায়ীর ধারণা, আলুর দাম আরো বাড়বে। তাই অনেকে হিমাগার থেকে আলু তুলছেন না। এ ছাড়া আলুর দাম এখন নিয়ন্ত্রণ করছে মধ্যস্বত্বভোগীরা।

সাধারণত, মৌসুম শুরুর পর থেকে আলু ২০ টাকা কেজিতে পাওয়া যায়। মৌসুম শেশের দিকে ৩০ টাকায় আলুর কেজি বিক্রি করেন বিক্রেতারা। কিন্তু এবার আলুর দাম ইতোমধ্যেই ৫০ টাকা কেজি অতিক্রম করেছে, অথচ মৌসুম শেষ হতে আরো ৪/৫ মাস বাকি। ফলে ধারণা করা হচ্ছে সামনে আলুর দাম আরো বাড়বে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: