অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ই জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী

ইসরায়েলের সাথে আরব আমিরাতের ভিসাহীন যাতায়াতের চুক্তি

Print

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলে গিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি প্রতিনিধি দল। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কেননা এটিই প্রথম কোনো আরব রাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের ইসরায়েল সফর। আর এই সফরেই আরব আমিরাত থেকে ইসরায়েলে ভিসাহীন যাতায়াতের চুক্তি করা হয়েছে। আরব দলের এই সফরটিকে ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু ঐতিহাসিক সফর বলে অভিহিত করেছেন।

ডয়েচে ভেলে’র এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আরব দেশগুলো ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক তৈরি করছে ঠিক, কিন্তু একইসাথে ফিলিস্তিনের সাধারণ জনগণের মাঝে ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। অঞ্চলটির দাবি, এই সফরের মাধ্যমে আরব আমিরাত কার্যত ইসরায়েলের আধিপত্যবাদ এবং দখলদারির মানসিকতাকে স্বীকৃতি দিল। ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যে ঝামেলা বহু দশকের। দীর্ঘদিন ফিলিস্তিনের ঝামেলাকে নিজেদের ঝামেলা মনে করেছে আরব বিশ্ব।

তবে এখন আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ফিলিস্তিনকে ঝেড়ে ফেলে দেয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ইসরায়েলের সঙ্গে শুধু আরব আমিরাত নয়, বাহরাইনও ইসরায়েলের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। চুক্তির পর দুদেশের পারস্পারিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে জোরালো পদক্ষেপও নিতে দেখা গেছে। আর সর্বশেষ আরব আমিরাতের প্রতিনিধি দলের ইসরায়েল সফরে আরব আমিরাতের অর্থমন্ত্রী ও অর্থপ্রতিমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ইসরায়েলের সাথে একাধিক চুক্তিও স্বাক্ষর করা হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোর মধ্যে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি এবং পরিবহন চুক্তি উল্লেখযোগ্য। তবে সবচেয়ে আলোচিত চুক্তিটি হচ্ছে দুই দেশের মধ্যে ভিসাহীন যাতায়াতের চুক্তি। ইসরায়েলের সাথে তুরস্ক, জর্ডান এবং মিশরেরও ভাল সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু তারাও আরব আমিরাতের মত ভিসাহীন যাতায়াত ইস্যু করেনি। কূটনীতিকরা এ চুক্তি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা করছেন।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: