অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রমযান, ১৪৪২ হিজরী

উত্তর কোরিয়ার যত বিদঘুটে গোপন তথ্য

Print

ফার্স্ট নিউজ ডেস্ক : অন্যান্য দেশের প্রেসিডেন্টদের চেয়ে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে নিয়েই মিডিয়া একটু বেশি ব্যস্ত। এর কারণও অবশ্য রয়েছে। এমনিতেই আমেরিকা আর উত্তর কোরিয়ার উত্তেজনা তুঙ্গে। এ কারণে এমনিতেই বিচ্ছিন্ন দেশটির নানা খবরের প্রতি আগ্রহ রয়েছে সারা বিশ্বের মানুষের। তাদের নিউক্লিয়ার অস্ত্র, শত্রæ দেশগুলোর প্রতি হুমকি-ধামকি আর বিশ্ব রাজনীতিতে কিম জং উনের প্রভাব-প্রতিপত্তি নিয়ে নানা গবেষণা চলছে। এখানে উত্তর কোরিয়ার এমন কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো, যা এই সর্বোচ্চ নেতার মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আপনাকে নতুন ধারণে দেবে। দেশটির সবকিছু যদিও একেবারে গোপনীয়। তবুও সব বিষয় কী আর চাপা থাকে? এখানে জেনে নিন কিছু অন্ধকারের গোপন কথা।
বার্ষিক আয় ১ থেকে ২ হাজার ডলার : উন্নত বা উন্নয়নশীল দেশের অনেকেই এ পরিমাণ অর্থে একমাস চলতে পারবেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। আর সেখানে উত্তর কোরিয়ায় এই অর্থ দিয়ে গোটা বছর চলতে হয়। আর এটাই ওখানকার বাস্তবতা। আমেরিকার ন্যাশনাল পাবলিক রেডিওর এক প্রতিবেদনা এসব তথ্য দেওয়া হয়।
উত্তর কোরিয়ায় সেরা চাকরির একটি হলো কোনো শিল্পপার্কে যন্ত্রপাতি নির্মাণ করা। আর এ চাকরি যারা করেন তাদের মাসিক আয় ৬২ ডলারের মতো।
সোমালিয়ার সঙ্গে দুর্নীতিতে শীর্ষে : গত ১০ বছরে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে সেরা হয়ে রয়েছে সোমালিয়া। এবার এই দেশটির সঙ্গে জোট বেঁধেছে উত্তর কোরিয়া। আসলে এখানকার মানুষ যে উপায়ে আয় করে, তার বেশিরভাগটাই দুর্নীতির মাধ্যমে। ব্রিটিশ মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়, নিজের দেশে দুর্নীতি আর স্বৈরশাসনের বিষয়টিকে একেবারে স্বাভাবিক বানিয়ে রেখেছেন কিম।
জোরপূর্বক লেবার ক্যাম্পে পাঠানো হয় বন্দিদের : বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক বন্দিদের নিয়ে অনেক আয়োজন থাকে উত্তরো কোরিয়ার। কেউ তার শাসনের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র বিরোধী মনোভাব প্রকাশ করলে তাকে এসব ক্যাম্পে পাঠানো হয়। সেখানে দুই মুঠো শস্যদানা খেতে দেওয়া হয়। আর পরিশ্রম করতে হয় দিনে ১৪-১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত। তারা ক্ষুধায় যন্ত্রণায় মৃত্যুবরণ করেন।
কিমের চুলের স্টাইল আর কারো নয় : কিম যে স্টাইলে চুল কাটেন সেই স্টাইলে দেশের আরো কোনো পুরুষ চুল কাটতে পারেন না। এটা একমাত্র তার হেয়ারকাট। নারী-পুরুষ নির্দিষ্ট ১৫ ধরনের হেয়ারস্টাইলেই চুল কাটতে পারেন।
বাবার মৃত্যুতে গণশোক বাধ্যতামূলক : কিম জং দ্বিতীয় ২০১১ সালে মারা যান। তখন গোটা উত্তর কোরিয়া কেঁদেছিল। সেই থেকে তার মৃত্যুতে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে শোক পালন করতে হয়। নিজের বাঁচার জন্যেই এই শোক পালন করতে হয়।
স্বজাতিকে খাওয়ার মতো ভয়ংকর সমস্যা : অনেক সময় কল্পনাকেও হার মানায় বাস্তবতা। এ বিষয়টি উত্তর কোরিয়ার জন্যে প্রযোজ্য। হাফিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষুধা উত্তর কোরিয়ার এমনই এক সমস্যা যা তাদের স্বজাতিখোর হতে বাধ্য করে। অনেক সাংবাদিকের দেওয়া তথ্যে এসব উঠে এসেছে। স্থানীয়দের অনেকেই এ বিষয়টি স্বীকার করেছেন। সেখানকার অনেক স্থানেই মানুষের মাংস খাওয়া হয়।
রহস্যময় ফার্স্ট লেডি : কিম যেখানেই যান তারই খবর হয়। কিন্তু দেশের ফার্স্ট লেডি রি সোল জু এর কথা অনেকেই জানেন না। তার প্রায় সবকিছুই গোপন। এমনকি বিয়ের আগে তার পরিবার ও এমনকি নাম সম্পর্কেও অনেকে জানেন না। -সূত্র : চিট শিট




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: