অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী

এমসি কলেজের ধর্ষকরা ফেসবুকে সরব, তবে…

Print

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৬ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

ওদিকে এই ঘটনার পর থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে তোলপাড়। আসামিদের পুলিশ খুঁজে না পেলেও ফেসবুকে ঠিকই স্ট্যাটাস দিচ্ছে তারা। এই মামলার দুই আসামি এরইমধ্যে ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছে।

গণধর্ষণের মামলায় ৫ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম শনিবার বেলা ১১টার দিকে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন,
”সম্মানিত সচেতন নাগরিকবৃন্দ
আমি রবিউল হাসান। আমি এম সি কলেজের একজন শিক্ষার্থী। আপনারা অনেকেই চিনেন, আমি কেমন মানুষ তা হয়তো অনেকেই জানেন। গতকাল এম সি ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের সাথে, কে বা কারা আমাকে জড়িয়ে অনেক অনলাইন নিউজ করিয়েছেন, আমি এম সি কলেজ ছাত্র, কিন্তু আই হোস্টেলে কখনোই ছিলাম না, আমি বাসায় থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ করছি, আমি এই নির্মম গণধর্ষণের সাথে জড়িত নই, আমাদের পরিবার আছে। যদি আমি এই জঘন্যকাজের সাথে জড়িত থাকি তা হলে প্রকাশে আমাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। আমি কোনো ভাবেই এই কাজের সাথে জড়িত নই। সবার কাছে বিনীত অনুরোধ করছি সত্য না যেনে আমাকে এবং আমার প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগের নামে কোনো অপপ্রচার করবেন না।
এমসি বিশ্ববিদ্যালের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণকারী সকল নরপশুদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

এর আগে মামলার ৬ নম্বর আসামি মাহফুজুর রহমান মাসুমও ফেসবুকে তার নিজস্ব প্রোফাইল থেকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে তাতে লিখেন,
”এরকম জঘন্য কাজের সাথে আমি জড়িত না। যদি জড়িত প্রমাণ পান প্রকাশ্যে আমাকে মেরে ফেলবেন। একমাত্র আল্লাহর উপর বিশ্বাস আছে। আল্লাহ আমাকে নির্দোষ প্রমাণ করবেন। তবে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার আগে আমাকে সুইসাইডের দিকে নিয়ে যাওয়া আপনাদের বিচার আল্লাহ করবেন।”

প্রসঙ্গত, রবিউল ছাড়া অন্য সব আসামি এরইমধ্যে তাদের ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভ করেছে। তবে আসামিদের গ্রেপ্তারের ব্যাপারে শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম চৌধুরী জানান, আমরা তাদের গ্রেফতারে সবধরণের চেষ্টা চালাচ্ছি। বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলছে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: