অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৭ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসের কিছু উদ্ভট লক্ষণ

Print

অনলাইন ডেস্ক : বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারির প্রকোপ আস্তে আস্তে কমে আসছে। ভাইরাসটির প্রধান লক্ষণ জ্বর, শুকনো কাশি, খাদ্যের স্বাদ ও ঘ্রাণ হারিয়ে ফেলা হলেও বর্তমানে কিছু উদ্ভট শারীরিক সমস্যাকে করোনাভাইরাসের লক্ষণ বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সেটি হচ্ছে ত্বকে বিভিন্ন রকম ফুসকুড়ি বা চামড়ায় লাল লাল দাগ হয়ে যাওয়া। এ বিষয়টি হয়তো অনেক ধীরে দেখা দিতে পারে। এর কারণ ভাইরাসের বিচিত্রতা। রূপান্তরিত করোনা ভাইরাসের কারণে এমনটা দেখা দিতে পারে। তবে অনেকেই দাবি করছেন এই উপসর্গটি করোনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

 

তাই বিষয়টি যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হয়ে গেছে। তবে তারপরও করোনাভাইরাস কীভাবে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে তা নিয়ে গবেষণা জরুরি। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে শতকরা ১৭ ভাগেরই বহু লক্ষণ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে প্রথমেই দেখা দিয়েছে ত্বকে ফুসকুড়ি। অন্যদিকে শতকরা মাত্র ২১ ভাগ রোগীর একমাত্র লক্ষণ ছিল ত্বকে ফুসকুড়ি। এ বিষয়টি যদি সবার জানা থাকে তাহলে সহজেই করোনা শনাক্তকরণ সম্ভব হতে পারে এবং অনেক আগেভাগে তা সম্ভব হতে পারে। ফলে করোনা সংক্রমণের বিস্তার সীমিত করতে সহায়ক হবে।

 

উদ্ভট লক্ষণগুলোর মধ্যে প্রধান ধরা হয় পা ফেটে যাওয়া-কে ঘিরে। সাধারণত পায়ের আঙ্গুল বা পায়ের পাতায় ত্বক লাল হয়ে ফুলে যাওয়াকে করোনাভাইরাসের লক্ষণ বলে গণ্য করা হচ্ছে। এর সবটাকে মিলে বলা হয় ‘কোভিড টোজ’। এক থেকে দু’সপ্তাহের মধ্যে এই ক্ষত রঙ হারাতে থাকে। আরো ফুলে যায়। এ পর্যায়ে চিকিৎসা ছাড়াই সেগুলো মিইয়ে যেতে থাকবে। এমন সংক্রমণ অনেক দেখা গেছে। মূলত বয়স্ক এবং যুব সমাজের মানুষদের মধ্যে এ লক্ষণ দেখা গেছে। দুটি আন্তর্জাতিক রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, সন্দেহজনক কোভিড-সংশ্লিষ্ট ত্বকের অবস্থায় শতকরা প্রায় ৬০ ভাগ রোগীর ত্বকের এমন সংক্রমণ দেখতে পাওয়া যায়।

 

আরেকটি মারাত্মক সংক্রমণ হলো ম্যাকুলোপাপুলার ফুসকুড়ি। এক্ষেত্রে ত্বকের মসৃণ এলাকার রঙ পালটে ফেটে যায়। স্প্যানিশ গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা ৪৭ ভাগ রোগীর ত্বকে এমন ফুসকুড়ি লক্ষণীয়। অধিক ভয়াবহ করোনায় আক্রান্তের সঙ্গে এই লক্ষণ সম্পর্কিত। এমন সংক্রমণ দেখা দেয় মধ্যবয়সী থেকে বয়স্ক রোগীদের। এই লক্ষণটি ১ থেকে ১৮ দিন পর্যন্ত দেখা দেয়। সংক্রমণের ২০ থেকে ৩৬ দিনের মধ্যে এই ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে।

 

আরো একটি করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ত্বকজনিত সমস্যা হচ্ছে ভেসিকুলার ক্ষত। এটি ত্বকের নিচে তরলভর্তি এক রকম লক্ষণ। স্বাভাবিকভাবে এই ক্ষতটি দেখতে গুটি বসন্তের মত হলেও এ ধরণের ক্ষত খুব একটা দেখা যায় না। শতকরা ৯ ভাগ রোগীর দেহে এই ধরণের ক্ষত লক্ষ্য করা গেছে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: