অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২রা জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী

জন কেরি ঢাকা আসছেন

Print

অনলাইন ডেস্ক: এক ঝটিকা সফরে ঢাকা আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। আগামী ২৯শে আগস্ট কয়েক ঘণ্টার জন্য তার সফরটি হবে। ক‚টনৈতিক চ্যানেলে গুরুত্বপূর্ণ ওই সফরের সূচি চ‚ড়ান্ত করার কাজ চলছে। তবে এখনও ঢাকা কিংবা ওয়াশিংটন- কারও তরফেই সফরটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়নি। ‘সফরটি হচ্ছে’ ক‚টনৈতিক সূত্রগুলো এমনটা জোর দিয়েই বলেছে। তারা এ-ও বলেছেন, বড় ধরনের কোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনা না ঘটলে প্রস্তাবিত তারিখেই সফরটি হবে। সূত্র মতে, ২৯শে আগস্ট সকালে ইউএস এয়ারফোর্সের বিমানে বাংলাদেশে পৌঁছাবেন জন কেরি। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীসহ দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। সন্ধ্যা অবধি বাংলাদেশে থাকবেন কেরি। এরপর দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যাবেন। সেখানে পরদিন ৩০শে আগস্ট ‘ইউএস-ইন্ডিয়া স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড কমার্শিয়াল ডায়ালগ’-এ মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন জন কেরি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী গতবছর ওয়াশিংটন সফর করেন। সেই সময়ে জন কেরিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি। হোয়াইট হাউজ আয়োজিত জঙ্গিবাদ বিরোধী সম্মেলনের সাইড লাইনে মাহমুদ আলী ও কেরির মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি হয়েছিল। সেখানে মাহমুদ আলীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করে জন কেরি বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ ব্যক্ত করেছিলেন। ওয়াশিংটন থেকে ঢাকায় ফিরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার মার্কিন কাউন্টার পার্টের বাংলাদেশ সফরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন- ২০১৫ সালে কেরির বাংলাদেশ সফরে সম্ভাবনার কথা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সময়ে সফরটি হয়নি। নতুন বছরে ঢাকায় মার্কিন মিশনের কর্মকর্তা জুলহাজ মান্নান হত্যা এবং গুলশানের ক‚টনৈতিক জোনের হলি আর্টিজান রেস্তরাঁয় জঙ্গি হামলার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জন কেরি টেলিফোনে কথা বলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে সন্ত্রাস ও সহিংস-চরমপন্থা দমনে যে কোনো ধরনের সহায়তার প্রস্তাব করেন তিনি। ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় মার্কিন স্টেট ডেপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল সা¤প্রতিক সময়ে একাধিকবার বাংলাদেশ সফর করেছেন। ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বøুম বার্নিকাটসহ দেশটির বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে সহায়তার ওই ‘প্যাকেজ প্রস্তাব’ নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। উদ্ভ‚ত পরিস্থিতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: