অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৫ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী

তামিমরা এখন দিনে দৌড়ান ৪ কি.মি.

Print

স্পোর্টস রিপোর্টার: ফিটনেস ট্রেনিংয়ে ফাঁকি দেয়া, ফিটনেস নিয়ে তেমন কোনো কাজ না করা, এড়িয়ে যাওয়া, এমন অভিযোগ ছিল তামিম ইকবালের বিপক্ষে। কিন্তু বদলে গেছেন বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের সেরা এই ওপেনার। আগে যেখানে তিনি দিনে ২ হাজার মিটার দৌড়াতেন এখন সেখানে ৪ হাজার মিটার বা চার কিলোমিটার দৌড়ান। শুধু তামিম নয়, ফিটনেস নিয়ে এখন গোটা দলের মধ্যে চলে এসেছে বিশাল পরিবর্তন। ফিটনেসে কতটা গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে তো বোঝা যায় আরাফাত সানির ছোট্ট একটা মন্তব্যে। গতকাল অনুশীলন সেরে বের হওয়ার পর ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন করতেই বলেন, ‘যেভাবে ট্রেনিং হচ্ছে ফিটনেসে উন্নতি না করে কোথায় যাবো বলেন?’ বুধবার শেষ হয়েছে কন্ডিশন ক্যাম্পের ফিটনেস ট্রেনিং সেশন। তবে এখনও ফিটনেসের পরীক্ষা হয়নি ক্রিকেটারদের। হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই আরো একবার পরীক্ষা দিতে হবে ক্রিকেটারদের। কতটা উন্নতি করলো ক্রিকেটাররা সেই প্রশ্নের জবাবে দেশি ট্রেনার ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, ‘এখনও আমরা পরীক্ষা নেইনি। গত বুধবার মাত্র ট্রেনিং সেশন শেষ হলো। পরীক্ষার পরই বলতে পারবো সঠিকভাবে কার কতটা উন্নতি হয়েছে। তবে এভাবে বলতে পারি যে, আগের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ ভাগ উন্নতি করেছে ক্রিকেটাররা। একটি উদাহরণ দিলেই বুঝবেন। তাহলো আগে ক্রিকেটাররা দিনে দৌড়াতো ২ হাজার মিটার এখন সেটা উন্নীত হয়েছে ৪ হাজার মিটারে।’
তামিম ইকবালের ফিটনেস নিয়ে ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, ‘তামিম ভাই এখন অনেক সিরিয়াস। আগের তুলনায় তিনি এখন যেমন রানিংয়ে গতি বাড়িয়েছেন। তেমনি তিনি এখন ফিটনেসের প্রতিটি সেশনই শেষ করছেন বেশ ভালোভাবে। ট্রেনিংয়ে তিনি এখন প্রায় প্রতিদিনই চার কিলোমিটার করে দৌড়াতে পারেন।’ নাসির ও জুবায়ের হোসেনের উন্নতি নিয়ে ট্রেনার বলেন, ‘জুবায়ের যেমনটা শুরু করেছে তাতে তাকে নিয়ে বেশ আশান্বিত। ক্যাম্পের বাইরে সে নিজের উন্নতি নিয়ে তেমন কোনো চেষ্টা করে না। কিন্তু এখন সে বেশ উন্নতি করেছে। এই লেগ স্পিনারের ফিটনেস এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো। নাসিরের তো তেমন সমস্যা ছিল না। তবে যা ছিল তাও কাটিয়ে উঠেছে।’
কেবল তামিম নন, অন্যরাও ফিটনেস নিয়ে বেশ সিরিয়াস বলেই জানিয়েছেন ট্রেনার ইফতেখারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমাদের জাতীয় দলের এমন অনেক ক্রিকেটার আছেন যারা ব্যক্তিগত উদ্যোগে ট্রেনার রেখে অনুশীলন করেন। তাদের নাম আমি বলবো না। তারা বোঝেন যে ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে ফিটনেসের কতটা গুরুত্ব। আমি নিজেও কেউ চাইলে তাকে সাহায্য করি। ক্যাম্পের বাইরেও অনেকেই আমার কাছে আসেন ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে। আমি বলবো, এই বিষয়গুলো পরিবর্তনের লক্ষণ। কারণ এই প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট বিশ্বে টিকে থাকতে হলে একজন ক্রিকেটারকে ফিটনেসে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। নয়তো তিনি টিকে থাকতে পারবেন না।’




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: