অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ই জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী

দলীয় কোন্দলে শেখ রাসেলের হারের হ্যাটট্রিক

Print

স্পোর্টস রিপোর্টার: চলতি মৌসুমে সবচেয়ে বড় বাজেটের দল গড়েছে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র। মোটা অংকের পারিশ্রমিকে দলের কোচ হিসেবে আছেন মারুফুল হক। দেশীয় তারকাদের পাশাপাশি বিদেশিও একেবারে মন্দ নয়। আছেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ মাতানো তারকা ফিকরু তেফেরা। পল এমিলি, ইকাঙ্গারাও ঢাকার মাঠের পরীক্ষিত সৈনিক। এরপরও মৌসুম শুরুর টুর্নামেন্ট স্বাধীনতা কাপ থেকে গ্রæপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল শেখ রাসেল। ফেডারেশন কাপে সেমিফাইনাল খেললেও, লীগে একেবারে হতাশ করেছে গেল বারের রানার্সআপরা। উত্তর বারিধারা সঙ্গে হার দিয়ে লীগ শুরু করে শেখ রাসেল। এরপর শিরোপা প্রত্যাশী দলটি একে একে হেরেছে রহমতগঞ্জ ও চট্টগ্রাম আবাহনীর সঙ্গে। তৃতীয় রাউন্ড শেষে একেবারে তলানিতে থাকা দলটির পয়েন্ট শূন্য। এমন ব্যর্থতা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন দলটির টিম ম্যানেজমেন্ট। অনেকে আবার এই ব্যর্থতার দায় চাপাচ্ছেন দলটির কোচ মারুফুল হকের উপর। তবে গোপন সূত্রে জানা গেছে কোচ নয়, শেখ রাসেলের এই ব্যর্থতার নেপথ্যে রয়েছে দলীয় কোন্দল ও বিদেশীদের শৃঙ্খলাভঙ্গ।
আতিকুর রহমান মিশুকে অধিনায়ক করা নিয়ে কোন্দলের সূত্র। নাম প্রকাশে এক ফুটবলার স্বীকার করেছেন মিশুর অধিনায়কত্ব অনেকেই মেনে নিচ্ছে না।
যে কারণে তার অধীনে খেলছে না অনেকে। যারা খেলছেন তারাও শতভাগ দিচ্ছেন না। মোনায়েম খান রাজু, জামাল ভূঁইয়া গোলরক্ষক রাশেদ মাহমুদ লিটনের পারফরমেন্সও মনোপুত হচ্ছে না। গুঞ্জন রয়েছে আবদুল বাতেন মজুমদার কমল, এমিলি, মিঠুনরা নাকি ইচ্ছা করেই ইনজুরি দীর্ঘায়িত করছেন। তারওপর ইথিওপিয়ার ফরোয়ার্ড ফিকরুকে নিয়ে এমনিতেই বেকায়দায় শেখ রাসেল। স্বাধীনতা কাপে ফিকরুকে স্বরূপে দেখা গেলেও, ফেডারেশন কাপে যাচ্ছেতাই খেলেছেন এই ফরোয়ার্ড। ঠিকমতো অনুশীলনও করেন না আইএসএল’এর দু’টি শিরোপাজয়ী দলে খেলা এই ফিকরু। এসব কারণেই তার উপর বিরক্ত কোচ মারুফ তাকে চট্টগ্রামেই নেননি। যদিও টানা দুই ম্যাচ হারের পর তৃতীয় ম্যাচে ফিকরুকে মাঠে নামাতে বাধ্য হন মারুফ। কিন্তু এখানেও একেবারে নিষ্প্রভ ছিলেন তিনি। হাইতিয়ান ফরোয়ার্ড পল এমিলির উপর খুশি হওয়া যাচ্ছে না। যদিও বিদেশিদের উপর ওঠা এসব অভিযোগ মেনে নেননি জামাল ভূঁইয়া। তারমতে ভাগ্য মন্দ হওয়ার কারণেই আমরা রেজাল্ট পাচ্ছি না। তবে সামনে অনেক ম্যাচ বাকি আছে আমাদের সব আশা এখানেই শেষ হয়ে যায়নি। কোন্দলের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন কোচ মারুফুল হক। ‘আমার লোকাল ফুটবলারের মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। তবে বিদেশিদের পারফরমেন্সে আমি মোটেও খুশি না। আমার দলে গোল করার কাজ হলো বিদেশিদের, তারা মোটেও তাদের দায়িত্ব পালন করছে না- বলেন এই কোচ। এরপরও দলের ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে বলেন, টানা তিন ম্যাচ হেরে আমরা অনেক পিছিয়ে পড়েছি। এখান থেকে শিরোপার আশা করা কঠিন। দেখি আগামী ম্যাচগুলোয় এই কঠিন কাজটিই করতে পারি কি-না।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: