অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৯ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী

নতুন কৃতিত্বে কাঁদলেন মারে

Print

স্পোর্টস ডেস্ক : আবারও কাঁদলেন অ্যান্ডি মারে। গাল বেয়ে পড়লো অশ্রæ। এ অশ্রæ আনন্দের, ইতিহাস গড়ার। মাত্র ৫ সপ্তাহ আগে গ্রান্ড সøাম টুর্নামেন্ট উইম্বলডনে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় শিরোপা জেতেন অ্যান্ডি মারে। ওই শিরোপা জিতে কাঁদেন বৃটিশ এ টেনিস তারকা। আর এবার কাঁদলেন রিও’র কোর্টে ইতিহাস গড়ে। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে অলিম্পিক টেনিসের এককে দুই সোনা জিতলেন তিনি। আন্দ্রে আগাসি-রাফায়েল নাদালের মতো তারকা অলিম্পিকে সোনা জিতেছেন। কিন্তু কেউ দুইবার এই কাজটি করতে পারেননি। আর রজার ফেদেরার ও নোভাক জকোভিচের মতো কিংবদন্তিসম তারকা তো এখনও একটি সোনাও জিততে পারেননি। ২০১২-অলিম্পিকের ফাইনালে উঠেছিলেন রজার ফেদেরার ও অ্যান্ডি মারে। সেবার ফেদেরারকে হারিয়ে সোনা জেতেন মারে। আর এবার রিও’র ফাইনালে আর্জেন্টিনার হুয়ান মার্টিন দেল পোত্রোকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন ব্রিটিশ টেনিস তারকা। ৪ ঘণ্টা ২ মিনিটের লড়াইয়ে মারে সোনা নিশ্চিত করেন ৭-৫, ৪-৬, ৬-২, ৭-৫ গেমে। দেল পোত্রো এক সময় টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে তিনে ছিলেন। ২০১২-লন্ডন অলিম্পিকে তিনি ব্রোঞ্জ জেতেন। এর আগে ২০০৯ সালে গ্রান্ড সøাম টুর্নামেন্ট ইউএস ওপেনের শিরোপা জেতেন তিনি। কিন্তু সম্প্রতি ২৭ বছর বয়সী এ তারকার নৈপুণ্যের ধার ছিল কম। তাই র‌্যাঙ্কিংয়ে এখন তার অবস্থান ১৪১। অন্যদিকে বৃটিশ তারকা মারে এখন র‌্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বর খেলোয়াড়। র‌্যাঙ্কিংয়ের দুইজনের ব্যবধান ১৩৯ হলেও লড়াইটা ছিল সেয়ানে-সেয়ানে। খেলা শেষ করে কোর্টের মধ্যেই কেঁদে ফেলেন মারে। এ কান্না আবেগের, এ কান্না ইতিহাস গড়ার। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে রাফালের নাদালকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জেতেন কেই নিশিকোরি।
অলিম্পিকে রেকর্ড গড়ে সোনা জয়ের পর মারের দিকে প্রশ্ন ছুটে গেল- তাহলে কি ২০২০ টোকিও অলিম্পিকেও খেলবেন? মারে বলেন, ‘চার বছর অনেক সময়। এরমধ্যে অনেক কিছু ঘটে যেতে পারে। তাহলে টোকিও-অলিম্পিক নিয়ে আমি কিভাবে কথা বলবো? তখন আমার বয়স হবে ৩৩ বছর। জানি না- তখন আমার ফর্ম কেমন থাকবে।’




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: