অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী

নতুন শব্দ আইন, ‘ধর্ষিতার’ স্থলে বসবে ‘ধর্ষণের শিকার’

Print

স্টাফ রিপোর্টার : ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড- বিধান জারি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন গত ৮ নভেম্বর সংসদে উত্থাপন করা হয়েছিল। সংসদে উত্থাপনের পর তা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দিতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল।

সেই প্রতিবেদন আজ সোমবার উত্থাপন করেছেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি। এতে ‘ধর্ষিতা’ বা ‘ধর্ষিতা নারী’ শব্দের পরিবর্তে ‘ধর্ষণের শিকার’ শব্দ বসানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

ধর্ষিতা শব্দটি লিঙ্গ বৈষম্যের পরিচায়ক বলে বিভিন্ন সময় মত আসার প্রেক্ষাপটে বিলে ‘ধর্ষণের শিকার’ শব্দবন্ধ দিয়ে ‘ধর্ষিতা’ শব্দটি প্রতিস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। মূল আইনের ৯ (২) ধারাসহ কয়েক জায়গায় ‘ধর্ষিতা’ শব্দটি বাদ দিয়ে ‘ধর্ষণের শিকার’ শব্দটি বসাতে বলেছে সংসদীয় কমিটি।

প্রসঙ্গত, সংসদীয় কমিটি কোনো বিলের সংশোধনী আনলে সেটি সংসদ গ্রহণ করে থাকে। খসড়া আইন নিয়ে সাধারণত সংসদীয় কমিটির সুপারিশ গ্রহণ না করার ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না।

গত ১২ অক্টোবর মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরদিন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০০০’ জারি করেন। এরপর গত ৮ নভেম্বর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নতুন অধ্যাদেশটি বিল আকারে সংসদে তোলেন। ২০০০ সালের নারী ও ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) উপধারায় বলা হয়, যদি কোনো পুরুষ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তবে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড-এ দণ্ডপ্রাপ্ত হবে। অতিরিক্ত অর্থদন্ডের বিধানও রাখা ছিল সে আইনে।

সংশোধিত খসড়ায় ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ এর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ শব্দগুলো ব্যবহার করার সুপারিশ করা হয়েছে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: