অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ২৬শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৬শে রমযান, ১৪৪২ হিজরী

বরিশালে অনুষ্ঠিত হলো উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় দিপাবলী উৎসব

Print

স্টাফ রিপোর্টার : বরিশাল নগরীর কাউনিয়া মহাশ্মশানে বরাবরে মত এবারও অনুষ্ঠিত হয়ে গেল উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় দিপাবলী উৎসব। অন্যবছরগুলোর মত এবার করোনার কারণে মহাসমারোহে উৎসব অনুষ্ঠান করা সম্ভব না হলেও পুণ্যার্থীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। সংক্ষিপ্ত পরিসরে উৎসবের আয়োজন করার নির্দেশনা দেয়া হলেও ধর্মীয় উৎসব হওয়ায় শুক্রবার বিকেল থেকে হাজার হাজার পুর্নার্থীর ঢল নামে নগরীর কাউনিয়া মহাশ্মশানে। প্রিয়জনের সমাধিতে দ্বীপ জ্বেলে, পছন্দের খাবার সাজিয়ে রেখে চন্ডিপাঠ সহ প্রার্থনা করেন প্রয়াতের স্বজনরা।

গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টার পর এবারের লগ্ন শুরু হলেও দুপুরের পর থেকে মহাশ্মশানমুখী হতে শুরু করেন পুণ্যার্থীরা। বিকেলের পর থেকে ঢল নামে মহাশ্মশানে। সন্ধ্যার পর পুরো মহাশ্মশানে নজরকাড়া আলোকসজ্জা সবাইকে মুগ্ধ করে। এতে এক অন্যরকম পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

মহাশ্মশানে আসা একজন জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের দীপাবলি অনুষ্ঠানের আমেজ কম। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে অনেকেই এখানে আসেননি। সংক্রমণ এড়াতে এবার কর্তৃপক্ষ বিধি নিষেধে আরোপ করে দিয়েছে, সে কারণে পুণ্যার্থীদের সকলেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে এখানে এসেছেন।

বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তমাল মালাকার বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে এত বড় মহাশ্মশান আর এত বর্নিল দীপাবলি উৎসব আর কোথাও হয় না। তবে মহামারির কারণে প্রতিটি পরিবার থেকেই কম সংখ্যক লোককে এবার মহাশ্মশানে আসতে অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও যারা এসেছেন তাদের সকলকেই মহাশ্মশানের বাইরে থেকে হাত ধুইয়ে ভেতরে প্রবেশ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়াও মাস্ক পরিধান ব্যতীত কাউকে মহাশ্মশানে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।

মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সভাপতি মানিক মুখার্জি বলেন, অন্যান্য বছরগুলোতে অন্তত দেড় লাখ মানুষের সমাগম হয় এই মহাশ্মশানে। কিন্তু এবারের উৎসবে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ হবেনা। ওদিকে, দীপাবলি উৎসব শান্তিপূর্ণ এবং নির্বিঘ্ন করতে মহাশ্মশান এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েনসহ গোয়েন্দা সংস্থা এবং র‍্যাবেরও সদস্যদের মহাশ্মশানের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা কর্মে লিপ্ত থাকতে দেখা গেছে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: