অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৩০শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী

বাংলাদেশ বিশ্বে সম্মানজনক অবস্থানে এসেছে : প্রধানমন্ত্রী

Print

অনলাইন ডেস্ক : ‌’অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ঘটনার ষড়যন্ত্র হয়েছে’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সেসব ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থা যথা সময়ে তথ্য দিয়েছে। আমরা সেগুলো ধরেছি। এ ধরনের বহু ঘটনা ঘটেছে। তবে বাংলার মাটি ব্যবহার করে কেউ জঙ্গি তত্পরতা চালাতে পারবে না। এ ব্যাপারে আমরা যথেষ্ট শক্ত ভূমিকা নিয়েছি।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার আসার পর থেকেই একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসের স্থান হবে না। এ ব্যাপারে আমরা যথেষ্ট শক্ত ভূমিকা নিয়েছি। তবে কিছু কিছু ঘটনা ঘটছে। কিন্তু আপনার দেখতে পাচ্ছেন সঙ্গে সঙ্গে তা তদন্ত করা হচ্ছে, অপরাধীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে এবং তাদের বিচারের ব্যবস্থা আমরা করে যাচ্ছি। এ ব্যাপারে আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা যথেষ্ট তৎপর।

তিনি বলেন, সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা হলো বিএনপি-জামায়াত যেভাবে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করেছে এর থেকে বড় সন্ত্রাসী আর কি হতে পারে? যা প্রকাশ্যে দিবালোকে মানুষ হত্যা করা। আমরা আগেই সন্দেহ পোষণ করেছিলাম হঠাৎ গুপ্তহত্যা কেন? মাদারীপুরে একজন শিক্ষককে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করা হলো। আমি মাদারীপুরবাসীকে ধন্যবাদ জানাই যে তারা সাহসের সঙ্গে আঘাতকারীকে ধরে ফেলল। পরে ক্রসফায়ারে তিনি মারা গেছেন।

তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষককে মারতে গিয়ে জনগণের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে আর তার জন্য খালেদা জিয়ার এ মায়া কান্না কেন? এটা আমার একটি প্রশ্ন? তার মানে কি দাঁড়াচ্ছে। হাড়ির ভাত সিদ্ধ হলো কি না তা একটি ভাত টিপলেই বোঝা যায়। একটা ঘটনা থেকেই বোঝা যায় গুপ্তহত্যার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রকাশ্যে এসব ঘটনা ঘটিয়ে তারা (বিএনপি) জনগণের রুদ্ররোষে পড়েছে। এখন তাই গুপ্ত পথে এসব ঘটনা ঘটিয়ে তারা দেশকে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে।

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, রোজা রমজানের দিন আমরা ইফতার মাহফিলে যাই আল্লাহ রসুলের নাম নিয়ে। আর ওই মহিলা (খালেদা জিয়া) প্রতিদিন নতুন নতুন গিবত গাওয়া, মানুষের বদনাম করা আর মিথ্যা ও অসত্য কথা বলা- এটাই হচ্ছে তার চরিত্র। আমি এর চেয়ে আর বেশি কিছু বলতে চাই না। জনগণই এর বিচার করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, আজকে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে একটা সম্মানজনক অবস্থানে এসেছে। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড যারাই করুক তাদের বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। জনগণের নিরাপত্তা দেয়া আমাদের দায়িত্ব। এ ব্যাপারে আমরা যথেষ্ট সচেতন।

বাজেট সম্পর্কে তিনি বলেন, এই বাজেটের মাধ্যমে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক দিক দিয়ে আরো এগিয়ে যাবে। দেশের মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন হবে। মানুষ উন্নত জীবন পাবে, যা ইতোমধ্যেই মানুষ পেতে শুরু করেছে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: