অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরী

বালিয়াকান্দি থানার ওসি হাসিনা বেগমের এ্যাওয়ার্ড লাভ

Print

বালিয়াকান্দি প্রতিনিধি : রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ হাসিনা বেগম বাংলাদেশ উমেন্স পুলিশ এ্যাওয়ার্ড-২০১৮ এর লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন।
বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ হাসিনা বেগমের হাতে বৃহস্পতিবার এ্যাওয়ার্ড ও সনদপত্র তুলেদেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার)।
জানাগেছে, হাসিনা বেগম গত ৩ জুন রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে রাজবাড়ীতে নারী পুলিশ সুপার থাকলেও জেলার পাঁচটি উপজেলায় কোনো নারী ওসি ছিলেন না। হাসিনা বেগমকেই রাজবাড়ী জেলার প্রথম ওসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। হাসিনা বেগম একজন সৎ ও চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। নতুন কর্মক্ষেত্রে যোগদানের পর বাল্যবিয়ে বন্ধ, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনাসহ বেশ কিছু অভিযান পরিচালনা করেছেন। যোগদানের পর থেকে বাল্যবিয়ে বন্ধ , বেশ কিছু মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করাসহ ক্লুলেস মামলার তথ্য উদঘাটনে সাফল্যে অর্জন করেছেন। শুধু বাল্যবিয়ে বন্ধই নয়, অভিভাবকদের সচেতন করে তুলতে যৌতুক, ইভটিজিং, নারী-নির্যাতন, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ হ্রাসে নানা ধরনের পরামর্শ প্রদান করে চলেছেন’। হাসিনা বেগম ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে উপ-পরিদর্শক (এস,আই) পদে যোগদান করেন। তার প্রথম কর্মস্থল ছিল কুমিল¬া। তিনি ১৯৯৮-২০০১ সাল পর্যন্ত কুমিল¬া এবং ২০০১-০২ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর তিনি ২০০২-০৬ ডিএমপি, ২০০৬-০৯ সাল পর্যন্ত এসবি এবং ২০১০-১১ সাল পর্যন্ত ডিবিতে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে কাজ শুরু করেন আর্মড পুলিম ব্যাটালিয়নে। সেখানে থেকে ২০১৫ সালে হাইতি শান্তিরক্ষা মিশনে যান। মিশন থেকে ফিরে ২০১৭ সালের আগস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারীতে যোগদান করে রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানায়। সর্বশেষ গত জুনে রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি থানার ওসি হিসেবে নিয়োগ পান।
ভবিষ্যতে যারা পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করতে চান তাদের উদ্দেশে ওসি হাসিনা বেগম বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীতে যেমন রয়েছে চ্যালেঞ্জ, তেমনি রয়েছে আত্মতৃপ্তি। সেই সঙ্গে রয়েছে সমাজকে অপরাধমুক্ত করতে পারার অপার আনন্দ। নারীরা এখন পুলিশ বাহিনীতে সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। সৎ ও কর্মনিষ্ঠ থাকলে নবীনরা আরও ভালো করবে বলে আমার বিশ্বাস।’ তিনি সকল অফিসারদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করা ও জনসাধারনের সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বালিয়াকান্দিকে অপরাধমুক্ত করতে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: