অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৬ই রমযান, ১৪৪২ হিজরী

ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক আর নেই

Print

স্টাফ রিপোর্টার : সাবেক এটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক মারা গেছেন(ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)। আজ সকালে সাড়ে ৮ টার সময় রাজধানীর আদ দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু সবার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন।

হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা তবিউর রহমান আকাশ জানান, ত মঙ্গলবার হঠাৎ করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের। তার অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গিয়েছিল। সেসময় তৎক্ষণাৎ তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়েছিল। তারপর থেকে তিনি আইসিইউতেই ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ অক্টোবর শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে আদ দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ব্যারিস্টার রফিক। চিকিৎসা গ্রহণের পর কিছুটা সুস্থ বোধ করলে তিনি বাসায় ফিরে যান। কিন্তু পরে আবারও হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। জানা গেছে, রক্তশূন্যতা, ইউরিন সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন প্রবীণ এই আইনজীবী। তিনি ডা. রিচমন্ড রোল্যান্ড গোমেজের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ১৯৩৫ সালের ২রা নভেম্বর কলকাতার সুবর্ণপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯০ সালের ৭ই এপ্রিল থেকে একই বছরের ১৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ছিলেন রাষ্ট্রের ষষ্ঠ প্রধান আইন কর্মকর্তা (এটর্নি জেনারেল)। কিন্তু কোনো সম্মানী নেননি। পেশাগত জীবনে তিনি কখনো কোনো রাজনৈতিক দল করেননি। তবে, নানা সময়ে রাজনীতিবিদরা সব সময় তাকে পাশে পেয়েছেন। রাজনীতিবিদদের সম্মান সব সময়ই অর্জন করেছেন তিনি। ব্যারিস্টার রফিক-উল হক তার জীবনের উপার্জিত অর্থের প্রায় সবই ব্যয় করেছেন মানুষের কল্যাণ ও সমাজসেবায়। আর তার এই উদ্যোগকে বিরল বলে অ্যাখ্যায়িত করেছেন আইন অঙ্গনে তার সমসাময়িকরা।

রফিক-উল-হকের ঘনিষ্ঠরা জানান, ২০১১ সালে স্ত্রী ডা. ফরিদা হকের মৃত্যুর পর থেকেই একা হয়ে পড়েন ব্যারিস্টার রফিক। এছাড়াও ২০১৭ সালে তার বাম পায়ের একটি অপারেশন সম্পন্ন হয়। তারপর থেকে তিনি হুইল চেয়ারে আসা-যাওয়া করতেন।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: