অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ২০শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রজব, ১৪৪২ হিজরী

মায়ার্সের ডাবল সেঞ্চুরিতে ইতিহাস গড়লো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

Print

স্পোর্টস ডেস্ক : খেলার পঞ্চম দিন শুরুর আগে থেকেই চলছিল নানা হিসাব-নিকাশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জিততে হলে গড়তে হবে রেকর্ড, এমন সমীকরণ সামনে নিয়ে বেশ স্বাচ্ছন্দে খেলতে নামে বাংলাদেশ দল। কিন্তু বাংলাদেশের ভুলে মায়ার্সের ডাবল সেঞ্চুরির উপর ভর করে টেস্ট ম্যাচটি নিজেদের করে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

 

এর আগে প্রথম ইনিংসে মিরাজের সেঞ্চুরিতে ৪৩০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। এর জবাবে মিরাজ তাইজুলদের বোলিং তোপে ২৫৯ রানেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ২২৩ রান করে ইনিংস ঘোষণা করলে পাহাড়সম ৩৯৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নামে উইন্ডিজ দল।

 

চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে চতুর্থ ইনিংসে এত রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড নেই। এ মাঠে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে ২০০৮ সালে বাংলাদেশের ছুড়ে দেওয়া ৩১৭ রানের লক্ষ্য়ে পৌঁছেছিল নিউজিল্যান্ড।

 

জিততে হলে ইতিহাস করেই জিততে হতো, আর সেই ইতিহাসই গড়লো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মিডল অর্ডার ব্যাটসমান কাইল মায়ার্স আর এনক্রুমাহ বোনারই তাশার সাগরে ডোবাল বাংলাদেশকে। টেস্ট ইতিহাসে এটি দুই অভিষিক্ত ক্রিকেটারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি গড়লেন, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ।

 

৪৪২ বলে ২১৬ রানের অবিশ্বাস্য জুটি গড়েছেন মায়ার্স ও বোনার। তবে এতো বড় জুটি গড়ে দিতে অবদান রেখেছে বাংলাদেশের ফিল্ডাররও। দুই-দুবার জীবন পেয়েছেন মায়ার্স। ৪৯ রানে স্লিপে দেওয়া তার ক্যাচ মিস করেন শান্ত। এরপর এলবিডব্লিউতে আউট হলেও রিভিউ নেননি মুমিনুল। একইরকম ভুল করা হয়েছে বোনারের বেলায়। তার বেলায়ও রিভিউ নেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। পরে রিপ্লেতে দেখা গেছে, লেগস্ট্যাম্প উপড়ে ফেলত বলটি।

 

চা-বিরতির পর কিছুটা হলেও খেলায় ফিরেছিল বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই বোনারকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তাইজুল। এতে করে ২৪৫ বলে ৮৬ রানের দারুণ এক ইনিংসের সমাপ্তি হয়। এর কিছু পর নাঈম হাসান বোল্ড করেন জার্মেইন ব্লাকউডকে। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। রাহকিম কর্নওয়ালের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দেই লক্ষ্যে পৌঁছে যান মায়ার্স। ৩০২ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করেন তিনি।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: