অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২রা জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী

শান্তির চেয়ে বড় অস্ত্র আর কিছু না : নাসিম

Print

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বর্তমান পৃথিবীতে শান্তির চেয়ে বড় অস্ত্র আর কিছু হতে পারে না। এটাই সবচেয়ে বড় অস্ত্র। কিন্ত দুঃখ লাগে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন জায়গায় মুসলমানরা নিজেদের মধ্যে হানাহানিতে লিপ্ত। স্বামী বিবেকানন্দ সব ধর্মের জন্য শান্তির পক্ষে মত দিয়েছেন। যা ১৫০ বছর পরও পৃথিবীতে অব্যাহত আছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের মোজাফফর আহমেদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদ।

মন্ত্রী বলেন, রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকতে পারে, থাকাটাও স্বাভাবিক। এটা অস্বাভাবিক কিছু না। এই বিবাদ বেশি দিন থাকবে না। আমাদের বিরোধিতায় যারা রাজনীতি করেন তাদের বলবো ২০১৬ সালে আপনারা দেশে কোনো জ্বালাও-পোড়াও করেন নাই, মানুষকে হত্যা করেন নাই, নৈরাজ্য করেন নাই বলে মানুষ এখন শান্তিতে আছে। বাংলাদেশ উপমহাদেশে সব সূচকে এগিয়ে আছে। কারণ দেশে এখন শান্তিময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এসময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে নাসিম বলেন, আপনারা আমাদের কঠোর সমালোচনা করতে পারেন। কিন্ত শান্তিময় পরিস্থিতি বজায় রাখেন। বাংলাদেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। যদি এই এগিয়ে যাওয়া অব্যাহত থাকে তাহলে বাংলাদেশ শুধু নিম্ন আয়ের দেশ নয়, মধ্যম আয়ের দেশ নয়, উন্নত দেশে পরিণত হবে।

গণতন্ত্রের নিয়মই হলো জনমতের ভিত্তিতে সরকার পরিবর্তন করা। ধারাবাহিক শাসন করার জন্য শেখ হাসিনাকে সাহায্য করা দরকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুর কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যাদের কাছ থেকে দেশসেবা করতে শিখেছেন স্বামী বিবেকানন্দ তাদের মধ্যে অন্যতম।

বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে নাসিম বলেন, গুলি খরচ না করে, যুদ্ধ না করে ৬৮ বছর ঝুলে থাকা দুই দেশের ছিটমহল সমস্যা সমাধান হয়েছে, শুধুমাত্র শান্তির পথ অবলম্বন করে।

বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি ড. চন্দ্র নাথ পোদ্দারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. অসীম সরকার, শ্রী মিলন কান্তি দত্ত প্রমুখ।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: