অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩রা জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী

সাকিবের দলই চ্যাম্পিয়ন

Print

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লীগে (সিপিএল) চতুর্থ আসরের শিরোপা জিতলো সাকিব আল হাসানদের দল জ্যামাইকা তালাওয়াস। ফাইনালে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিওর্সকে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তারা এই গৌরব অর্জন করেছে। সিপিএলের চার আসরে দুবার ফাইনালে উঠে দুবারই শিরোপা জিতলো জ্যামাইকা। ২০১৩ সালে টুর্নামেন্টের প্রথম আসরে এই গায়ানাকে হারিয়েই প্রথম শিরোপা জিতেছিল জ্যামাইকা। বড় দুর্ভাগ্য গায়ানার। চার আসরে তিনবার ফাইনালে উঠেও তারা এখনও শিরোপা জিততে পারলো না। ২০১৪ ফাইনালেও হারে তারা। এবারের ফাইনালের আগেও শিরোপার পাল্লা ভারি ছিল গায়ানার দিকে। গ্রæপপর্ব শেষে তারাই ছিল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। এছাড়া প্রথম প্লে অফে জ্যামাইকাকে হারিয়েই ফাইনালে ওঠে তারা। কিন্তু মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে ফাইনালে সেই জ্যামাইকার কাছে লজ্জাজনক হারে এবারও হতাশ হতে হলো তাদের। সেন্ট কিটসের ফাইনালে টস জিতে প্রতিপক্ষকে আগে ব্যাটে পাঠায় জ্যামাইকা। গায়ানাকে শুরু থেকে চেপে ধরে ১৬.১ ওভারে মাত্র ৯৩ রানে অলআউট করে দেয় জ্যামাইকা। জবাবে ৪৩ বল হাতে রেখে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় জ্যামাইকা। অধিনায়ক ক্রিস গেইল ৬ ছক্কা ও ৩ চারে মাত্র ২৭ বলে ৫৪ রানে আউট হন। উদ্বোধনী জুটিতে চ্যাডউইক ওয়ালটন ও গেইল ৯.৪ ওভারে ৭৯ রান যোগ করেন। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে কুমার সাঙ্গাকারা ও চ্যাডউইক ওয়ালটন ১৬ রানে অবিচ্ছিন্ন থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। সাঙ্গাকারা ১২ ও ওয়ালটন ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে গায়ানাকে চেপে ধরেন জ্যামাইকার সব বোলার। সাকিব আল হাসান ৪ ওভারে ২৫ রানে নেন ২ উইকেট। আর ফাইনাল সেরা পাকিস্তানি পেসার ইমাদ ওয়াসিম ২১ রানে নেন ৩ উইকটে। এদিন গায়ানার পাঁচ ব্যাটসম্যান রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন। এরমধ্যে তিনজন নিজেদের প্রথম বলের মোকাবিলায় ফেরেন। গায়ানার হয়ে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন পাকিস্তানি বোলার সোহেল তানভির। এছাড়া ডোয়াইন স্মিথ ১৭ ও ক্রিস বার্নওয়েল করেন ১০ রান। এদিন তাদের আট ব্যাটসম্যানের রান দুই অঙ্কের কোটা পার হয়নি।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: