অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১৫ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলহজ্জ, ১৪৪২ হিজরী

সাম্বা-সৈকত-ফুটবলের নগরী রিও

Print

স্পোর্টস ডেস্ক: জানুয়ারির নদীÑ বাংলায় শহরটির নামের অর্থ এমন। খেলা পাগল দেশ ব্রাজিলের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী রিওডি জেনিরো। শহরের নামকরণ পর্তুগিজ ভাষায়। এক সময় এখানে সাম্রাজ্য গড়ে পর্তুগিজরা। দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থÑ অলিম্পিক গেমসের এবারের আসর বসছে দক্ষিণ আমেরিকার প্রাচীন এ শহরটিতে। ১৫০২ সালে এর উপক‚লে ভেড়ে পর্তুগিজ নাবিক পেদ্রো আলভারেস কাবরালের জাহাজ। রিওডি জেনিরোতো পর্তুগিজরা উপনিবেশ গড়ে ১৫৬৫ সালে। ১৮২২ সালে ব্রাজিলের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগ পর্যন্ত শহরটি ছিল পর্তুগিজ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। ১৯৬০ সাল পর্যন্ত শহরটি পাচ্ছিল স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র ব্রাজিলের রাজধানীর মর্যাদা। পরে রাজধানী সরিয়ে নেয়া হয় অপর নগরী ব্রাসিলিয়ায়। শুধু ব্রাজিলই নয় আমেরিকার অন্যতম প্রধান নগরী এই রিওডি জেনিরো। আমেরিকার ষষ্ঠ বৃহত্তম ও ২০০৮ সালের জরিপে বিশ্বের ৩০তম বৃহৎ নগরী এটি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও কারু ও কৃষ্টি, ক্রীড়া ক্ষেত্রে এ নগরীর রয়েছে আলাদা ঐতিহ্য। এখানে করকোভাদো পর্বতের চ‚ড়ায় প্রতিষ্ঠিত ‘ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার’ মূর্তি বিশ্বের নব সপ্তাশ্চর্যের একটির মর্যাদা পেয়ে থাকে। কার্নিভাল, সাম্বা, বোসা নোভা নৃত্যগীতের জন্য আলাদা পরিচিতি হাসিখুশি নগরীটির। বাহারি সাজ-পোশাক ও সাম্বা নৃত্য নিয়ে বিশ্বের আলাদা নজর টানে এখানে রিও কার্নিভাল। নগরীর প্রান্তভাগে রয়েছে কোপাকাবানা, বাররা দা তিহুকা, ইপানেমা, লেবলনের মতো নয়ন মনোহর সমুদ্র সৈকত। খেলাধুলায়ও আলাদা ঐতিহ্য রিওডি জেনিরোর। ব্রাজিলের গর্বের মারাকানা স্টেডিয়ামের অবস্থান এ শহরেই। এখানে বসেছিল ১৯৫০ বিশ্বকাপ আসর। ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যু ছিল মারাকানাই। আর এ স্টেডিয়ামকে ঘিরেই এগিয়েছে ব্রাজিলের পরাক্রমশালী ফুটবল প্রজন্ম। ব্রাজিলে প্রথম ফুটবল ম্যাচ মাঠে গড়ায় এই রিও জেনিরো নগরীতেই। ১৮৯৪ সালে বাঙ্গু টেক্সটাইল কারখানার বৃটিশ শ্রমিকদের সঙ্গে ফুটবল ম্যাচে মাঠে নামে স্থানীয় কৃষককেরা।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: