অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী

সিসিটিভি ফুটেজের অ্যাপ্রোন পরা নারীকে খুঁজছে পুলিশ(ভিডিও)

Print

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড নিরাময় কেন্দ্রে সিনিয়র পুলিশ সুপার(এএসপি) আনিসুল করিমকে হত্যার ঘটনায় ১৫ আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির ২ জন পরিচালকসহ ১২ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে প্রতিষ্ঠানটির নারী পরিচালক ফাতেমা আক্তার ময়নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও গত ১০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম পরিচালক ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ খান কে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার হওয়া ওই প্রতিষ্ঠানটির ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর ৭ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। গ্রেপ্তার হওয়া দুই পরিচালকেরও রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত ৯ নভেম্বর মানসিক সমস্যার কারণে এএসপি আনিসুল করিমকে মাইন্ড এইডে আনা হয়। সেখানে ভর্তির কিছুক্ষণ পরই পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে হত্যার অভিযোগ করা হয়। আনিসুল করিম মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা মো. ফাইজুদ্দীন আহম্মেদ বাদী হয়ে রাজধানীর আদাবর থানায় মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে ১৫ জনকে আসামি করা হয়।

আনিসুল করিমকে হত্যার পরপরই কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, মাইন্ড এইডে ঢোকার পরপরই আনিসুল করিমকে ৭/৮ জন টেনে হেঁচড়ে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মাটিতে ফেলে ঘাড়ের দিকে কনুই দিয়ে আঘাত করা হয়। আসামিরা কাপড়ের টুকরো দিয়ে আনিসুল করিমকে চেপে ধরে। কিছুক্ষণ পর ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়েন আনিসুল করিম। পরে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, নিস্তেজ হওয়ার এক পর্যায়ে অ্যাপ্রোন পরিহিত এক নারী আনিসুল করিমকে দেখতে আসেন। এ সময় তিনি আনিসুলকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে থাকেন। সে সময় আনিসুল কোনো সাড়া না দিলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুল করিমকে মারধরের ভিডিও ফুটেজ দেখে কার কী ভূমিকা ছিল তার সঙ্গে মিলিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে আসামিরা এলোমেলো তথ্য দিয়ে একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন।

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: