অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রমযান, ১৪৪০ হিজরী

সৃজিতের সঙ্গে ‘প্রেম’ অস্বীকার জয়ার

Print


বিনোদন প্রতিবেদক
: বাংলাদেশ জয় করেছেন অনেক আগেই। এবার চলছে ভারতীয় দর্শকদের মন জয়ের গল্প। অভিনেত্রী জয়া আহসান এখন কলকাতায় একের পর এক ছবিতে কাজ করছেন। পাচ্ছেন পুরস্কারও। কলকাতার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির ‘বিসর্জন’ ছবিতে কাজ করে নায়িকা একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন। এই পরিচালকের সঙ্গে জয়ার ‘প্রেম গুঞ্জন’ও চাউর হয়েছে। গতকাল বুধবার কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজারে নায়িকার দীর্ঘ একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। এতে জয়া সৃজিতের সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন। দুই বাংলার অভিনেত্রী এই পরিচালকের সঙ্গে তার প্রেমের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে পথ চললে সেটা একটা বলার বিষয় ছিল। কিন্তু এটা পুরোটাই গুজব। তবে শিল্পী হিসেবে তো আমি সৃজিতের সঙ্গে কাজ করতেই চাই।’ বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জয়া বলেন, ‘আপাতত আমি বিয়ে করছি না।’ এছাড়া ঢাকায় জয়ার এক বিশেষ বন্ধু রয়েছেÑএমন প্রশ্নের জবাবে জয়া বলেন, ‘তার নাম বলা যাবে না।’ স¤প্রতি কলকাতায় যোধপুর পার্কের ফ্ল্যাটে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জয়া। নিজের নেশা নিয়ে তিনি বলেন, ‘কলকাতায় এসে সেটের লাইটিংয়ের দাদাদের কাছ থেকে পানমসলা খেতে শিখেছি। জর্দা দেওয়া পান খেতে খুব পছন্দ করি। তবে ক্লিওপেট্রা (পোষ্য) আমার নেশা। মায়ের কাছ থেকে বাগান করার শখ পেয়েছি। আর আমি কিন্তু গাছের পাগল। আমার লাগেজ খুললেই গাছ পাবেন।’ জয়া বলেছেন, তিনি প্রতিটি কাজ দিয়েই নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে চান। গেরিলার এই অভিনেত্রী বলেন, ‘বারবার নিজেকে অতিক্রম করতে চাই। তবে মেধা মাঝে মাঝে নিম্নমুখী হয়। সেই ভয় আছে। মানুষের কাছাকাছি থাকতে চাই। আর এমন কাজ করব না, যাতে আমার শিল্পীসত্তা নষ্ট হয়। আমি তো নিজেকে শিল্পী হিসেবে দেখতে চাই। নায়িকা তকমাটা চাইনি। তার মানে নাচ-গানের ছবি কেনো করব না? ওগুলোও তো চরিত্র। যা করব, তাতে যেন শিল্পমানটা থাকে। আর চরিত্রগুলো ভার্সেটাইল হয়।’ এদিকে গেল শুক্রবার কলকাতায় মুক্তি পেয়েছে জয়া অভিনীত ছবি
‘আমি জয় চ্যাটার্জি’। এটি পরিচালনা করেছেন মনোজ মিশিগান। ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আবির চট্টোপাধ্যায়। এতে জয়ার চরিত্রের নাম অদিতি রায়। এ প্রসঙ্গে জয়া বললেন, “আমি জয় চ্যাটার্জি’ একটি থ্রিলার ছবি। জয় খুব অহংকারী, বদমেজাজি প্রকৃতির মানুষ। শুধু নিজের মধ্যেই মগ্ন থাকে। হঠাৎ একদিন সকাল থেকে লাপাত্তা হয়ে যায়। তাকে খুঁজতে থাকে প্রেমিকা অদিতি রায়। সে জয়কে স্বাভাবিক ও সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।”




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.