অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলহজ্জ, ১৪৪২ হিজরী

স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে মূলপর্বে বাংলাদেশ

Print

ক্রীড়া প্রতিবেদক: কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্কটিশদের ১১৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের মূল পর্ব নিশ্চিত করলো মেহেদী হাসান মিরাজরা। চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে স্বপ্নের শুরু। সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলো স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও।
বাংলাদেশের ছুড়ে দেয়া ২৫৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এবং সালেহ আহমেদ শাওনের তোপের মুখে পড়ে ১৪২ রানেই অলআউট হয় স্কটল্যান্ড।

বাংলাদেশ যুবাদের দেওয়া ২৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ সূচনা করে স্কটল্যান্ড। দুই ওপেনার ১২ বলে তুলে নেন ৪৮ রান। এরপরই ঘটে ছন্দ পতন। ১৩ তম ওভারে দলের হয়ে ফ্ল্যাককে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে খেলায় ফেরান অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। একই ওভারের শেষ বলে রান আউটের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ওয়াইজ শাহ।

এরপর ররি জনস্টোন আর জ্যাক ওয়ালারকে সাজঘরে ফিরিয়ে জোড়া আঘাত হানেন সঞ্জিত শাহার পরিবর্তে দলে সুযোগ পাওয়া আরিফুল হক। দলীয় ৮৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পরে স্কটল্যান্ড। এরপর শাওন আরও দুই উইকেট তুলে নিলে বিপদ আরও বেড়ে যায় স্কটল্যান্ডের।

এর আগে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ যুব দল। যুব ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রহকারী হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়া শান্তর শতকে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৫৬ রান করে বাংলাদেশ।

যদিও ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি যুবা টাইগারদের। শুরুতেই গাফফারের জোড়া আঘাতে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ গাফফারের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে শূন্য রানেই ফেরেন পিনাক ঘোষ। আর অষ্টম ওভারের শেষ বলে গাফফারের দ্বিতীয় শিকারে ফেরেন ১৩ রান করা জয়রাজ শেখ।
এরপর তৃতীয় উইকেট জুটিতে দলের হাল ধরেন ওপেনার সাইফ হাসান এবং টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত। ১০১ রানের দারুণ এক জুটি গড়ে প্রাথমিক চাপ সামলে নেন তারা। ৩৩তম ওভারে দলীয় ১১৮ রানে ব্যক্তিগত ৪৯ রানে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। এরপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে মিরাজ এবং শান্ত গড়েন আরো একটি শত রানের জুটি। অধিনায়ক মিরাজ তুলে নেন অর্ধশতক। ৪৮তম ওভারে ক্যাচ আউট হয়ে ৪৮ বলে ব্যক্তিগত ৫১ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন টাইগার অধিনায়ক। এরপর একপ্রান্ত আগলে রেখে সাইফুদ্দিন ও সাইদ সরকারকে সঙ্গে নিয়ে দলকে ২৫৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দেন শান্ত।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: