অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৯ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী

৫ জানুয়ারি ঘিরে আবারও পাল্টাপাল্টি

Print

দৈনিক চিত্র রিপোর্ট : দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আর এ উত্তেজনা ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে। গত বছরের মতো এবারও ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ এবং ‘গণতন্ত্রের হত্যা দিবস’ উপলক্ষে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি রয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির।
শনিবার সকালে বিএনপির পক্ষ থেকে ৫ জানুয়ারি সমাবেশ করবে এমনটা জানানোর পর আওয়ামী লীগও জানায় একই দিন তাদেরও কর্মসূচি রয়েছে।
সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথসভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির কথা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার ঘণ্টাখানেক পরেই ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের কর্মসূচির কথা জানান আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

৫ জানুয়ারি সমাবেশ করবে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার চিন্তা বিএনপির। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ডিএমপিতে আবেদন করলেও সেখান থেকে এখনো সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘দুই বছর আগে ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের নামে গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে। জনগণের ভোট ছাড়াই নির্বাচন করা হয়েছে। প্রায় সবকটি রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়াই যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেই নির্বাচনের পরে একটা প্রহসনমূলক নাটকের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করা হয়েছিল। সেই সরকার এখনো আছে। এটাকে আমরা গণতন্ত্র হত্যা দিবস বলে চিহ্নিত করেছিলাম। গণতন্ত্রকে সেদিন হত্যা করা হয়েছিল। জনগণ ভোটের মাধ্যমে রায় দিতে পারেনি।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ওইদিনকে স্মরণ করতে এবং গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ৫ জানুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েছি। আশা করি, তারা সমাবেশ করার জন্য অনুমতি দেবে। মাইক ব্যবহারেরও অনুমতি দেবে।’

কর্মসূচি রয়েছে আওয়াম লীগেরও
একই দিন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগেরও কর্মসূচি রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাছান মাহমুদ। তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘৫ জানুয়ারি অবশ্যই কর্মসূচি থাকবে আওয়ামী লীগের।’ তবে কী সেই কর্মসূচি তা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।
বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষকে আন্দোলনের নামে পেট্রোলবোমার ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে আছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের পথে আছে।’
হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘প্রকৃতপক্ষে রাক্ষসের প্রতিচ্ছবি খালেদা জিয়া। কারণ, তিনি ২০১৩, ’১৪, ’১৫ সালে আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা করেছেন। মানুষের চেহার ঝলসে দিয়েছেন, গাড়ি ভাঙচুর করেছেন। এতেই প্রমাণিত হয় উনি রাক্ষস।’




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: