অনলাইন নিউজপেপার সাইট ঢাকা, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩রা জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী

চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Print

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের রাজধানী টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের অত্যাধুনিক নকশার নতুন চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধন করেছেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘জাপানে এটাই বাংলাদেশ’।

শনিবার (২৮ মে) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় এ ভবনের উদ্বোধন করেন তিনি। ৭১৪ স্কয়ার মিটারের ওপর অত্যাধুনিক নকশায় চারতলা বিশিষ্ট চ্যান্সারি ভবনটি নির্মাণ করেছে জাপানেরই ‘মোরামোতো কর্পোরেশন’।
উদ্বোধন শেষে ‘এই সুন্দর ভবনটি হবে জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের প্রতীক’ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক দৃঢ় রয়েছে। এটা আরও দৃঢ়তর হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরে যাওয়া ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের মাধ্যমেও দু’দেশের ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সংহত হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে জাপান আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলো। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়তে জাপানের সহযোগিতার কথা বাংলাদেশ চিরকাল স্মরণ করবে।

এ সময় জাপানকে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, যারা আমাদের সংকটকালে পাশে দাঁড়িয়েছে তাদের কথা আমরা কোনোদিনই ভুলে যেতে পারি না।

বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু, রূপসা সেতু নির্মাণ জাপানের সহযোগিতায় হয়েছে। পদ্মাসেতু নির্মাণের অর্থায়নেও জাপান প্রথম এগিয়ে আসে, পরে বিভিন্ন জটিলতার কারণে কারও সহায়তা ছাড়াই বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে এই সেতু করছে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী আরও স্মরণ করেন, বাংলাদেশে যখন কোনো একটি আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ছিল না, তখন হোটেল সোনারগাঁও তৈরি করে দিতে জাপানই এগিয়ে আসে।

বর্তমানে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পেও জাপান অর্থায়ন করছে উল্লেখ করে তা-ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

জাপানে জি-৭ এর শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ কর্মসূচিতে তাকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনঝো আবে দাওয়াত দিয়েছেন, সে কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এবারের সামিট অত্যন্ত সফল হয়েছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ আলোচনাও অনেক ফলপ্রসূ হয়েছে। নতুন নতুন প্রস্তাব এসেছে।

বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাওয়ায় এখন বিশ্ব নেতারা সবাই বাংলাদেশের প্রশংসা করছেন, বলেন তিনি।

টোকিওতে চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধনের এই দিনটিকে নিজের অত্যন্ত আনন্দের দিন হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০১০ সালে এই ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন তিনি করেন। এরপর সবার সহযোগিতায় এই অত্যাধুনিক নকশার ভবনটি তৈরি হওয়া ও এর উদ্বোধন করতে পারার কারণেও তিনি আনন্দিত।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

%d bloggers like this: